

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাউজান : রাউজানে বিপুল উৎসাহ–উদ্দীপনায় পালিত হয়েছে ঈদুল ফিতর। ঈদের সকালে নতুন পোশাক গায়ে গ্রামের মানুষ শিশুদের সাথে নিয়ে দলে দলে যোগদান করেছে সামজিক ঈদগাহ ও মসজিদে। অংশ নিয়েছে ঈদের জামাতে। একদিকে দীর্ঘ ১৬-১৭বছর পর নিজ গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপন করেছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী। তিনি সোমবার (৩১ মার্চ) সকালে গহিরাস্থ বক্স আলী চৌধুরী বাড়ি জামে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করে আঙিনায় অবস্থান করে সারাদিন ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন এলাকাবাসী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা,দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে। বাড়িতে ঈদ শুভেচ্ছা জানাতে আসা মানুষদের জন্য করা হয়েছে মেজবান।সকাল–সন্ধ্যা পর্যন্ত গহিরার গ্রামের বাড়িতে ছিল মানুষের ঢল। ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি বলেন বিগত ১৬-১৭ বছর খুশি মনে ঈদ উদযাপন করা সম্ভব হয়নি। ফ্যাসিস্ট সরকার খুশি মনে ঈদ উদযাপন করতে দেয়নি। ১৭ বছর পর গ্রামের বাড়িতে এলাকার মানুষ জন্য নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে খুশি মনে ঈদ উদযাপন করতে পারছি। আজ আমাদের মাঝে আনন্দ ও খুশি বিরাজ করছে। আমরা যেন সামনের দিনগুলো এভাবেই ধরে রাখতে পারি মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করছি। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা নুরুল হুদা, ফিরোজ আহমদ, আবু জাফর চৌধুরী, সৈয়দ মঞ্জরুল হক, রেজাউল রহিম আজম, ফয়েজুল ইসলাম চৌধুরী টিপু, সাবের সুলতান কাজলসহ নেতৃবৃন্দ। এছাড়া ঈদের আনন্দকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে ঈদের দ্বিতীয় দিনে রাউজান গহিরাস্থ নিজ গ্রামে দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের সম্মানিত উপদেষ্টা, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সংসদ সদস্য, এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার।এ উপলক্ষে রাউজানের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে আগত নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের সম্মানে আয়োজিত হয় চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান। সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এ মিলনমেলা ঈদের খুশিকে আরও রঙিন করে তোলে, যেখানে একসঙ্গে মিলিত হয় ভালোবাসা,বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সম্মান।এসময় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ হালিম,অধ্যাপক ইউনুচ চৌধুরী,নুরুল আমিন,নুর মোহাম্মদ,রাউজান উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক জসীম চৌধুরী,সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন,চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি হাসান মোহাম্মদ জসিম, রাউজান পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আবু আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার উদ্দীন খানসহ জেলা উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
